বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, মাদারীপুর কে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিনত করা।
বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, মাদারীপুর শহরের শকুনি লেকের পাশে অবস্থিত একটি বিশিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি বিয়াম ফাউন্ডেশন (বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট) দ্বারা পরিচালিত হয়, যা দেশের প্রশাসনিক ও শিক্ষাগত উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে নিবেদিত একটি সম্মানিত সংস্থা। একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশে উচ্চমানের শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে এই স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, মাদারীপুর ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়টিতে প্লে গ্রুপ থেকে ক্লাস এইট পর্যন্ত পাঠদান করা হয়। বিদ্যালয়টিতে দুটি ভার্সন রয়েছে। বাংলা ভার্সন এবং ইংরেজী ভার্সন। প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে শিক্ষকের সংখ্যা ২১ জন, কম্পিউটার অপারেটর ১ জন, কর্মচারী সংখ্যা ৬ জন। সপ্তাহে একদিন পাঠ্যক্রম বহির্ভূত বিষয়সমূহ যেমনঃ কবিতা আবৃত্তি, স্কাউট, ইংলিশ স্পোকেন, নাচ, অংকন, আরবি শিক্ষা, হিন্দুধর্ম শিক্ষা, বিতর্ক, ফুটবল খেলা, ক্রিকেট খেলা, কারাতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
<p style="margin-left:.5in;">১৯৪৮ সনের ১৭ সেপ্টেম্বর উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষ শ্রেণী কার্যক্রম দিয়ে একটি</p><p style="margin-left:1.5in;">বেসরকারি কলেজ হিসেবে বর্তমান সরকারি নাজিমউদ্দিন কলেজ এর যাত্রা শুরম্ন হয় । কলেজটির সরকারিকরন হয় ১৯৭৯ সনে । এর উদ্যোক্তা ছিলেন স্থানীয় গণ্য মান্য ব্যক্তি বর্গ । ১৯৩৭ সনে শেরে বাংলা এ.কে.ফজলুল হক নির্বাচনী প্রচারাভিযানে মাদারীপুর আসেন । তখনই সর্বপ্রথম স্থানীয় নেতৃবর্গের পক্ষ থেকে মাদারীপুরে একটি কলেজ স্থাপনের দাবি উত্থাপিত হয়। পরবর্তী কালে এ.কে.ফজলুল হক ১৯৪১ সনে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মাদারীপুর আসেন একটি শিল্প, সংস্কৃতি ও কৃষি প্রদর্শনী উদ্বোধন করতে । এই অনুষ্ঠানে পুনরায় কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবি উত্থাপিত হলে তিনি সবরকম সাহায্য সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন । এরপর ১৯৪৬ সনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মাদারীপুরে এক জনসভায় আসেন । তিনি কলেজ প্রতিষ্ঠার পক্ষে মত দেন এবং চাঁদা তুলে কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য প্রশাসনকে পরামর্শ দেন । তাঁর নির্দেশে তৎকালীন এস.ডি.ও ডবিস্নউ বি কাদরী কলেজ প্রতিষ্ঠায় তহবিল গঠনে অগ্রনী ভূমিকা গ্রহন করেন । এসময় কলেজের নামকরন নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে সামান্য মতভিন্নতা দেখা দেয় । কংগ্রেস পন্থীরা চায় কলেজের নাম হোক মাদারীপুর কলেজ ; মুসলিম লিগ পন্থীরা চায় নাম হোক ইসলামিয়া কলেজ ; আর স্থানীয় ব্যবসায়ী শ্রেণী মনে করেন নামকরন করা হোক চরমুগরিয়া মার্চেন্টস কলেজ । অবশেষে ফরিদপুরের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ জনাব ইউসুফ আলী চৌধুরীর (ওরফে মোহন মিয়া) অনুরোধে কলেজের নামকরন করা হয় পাকিসত্মানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল খাজা নাজিমউদ্দিন’র নামানুসারে নাজিমউদ্দিন কলেজ । এই কলেজ প্রতিষ্ঠায় যাঁদের অবদান অমস্নান তারা হলেন তৎকালীন এম.এল.এ জনাব এস্কান্দার আলী খান, প্রাক্তন এম.এল.এ জনাব আবুল ফজল, জনাব মমিনউদ্দীন আহমেদ, জনাব দলিলউদ্দীন আহমেদ, জনাব আলিম উদ্দীন আহমেদ, জনাব আব্দুল হামিদ শিকদার, জনাব আচমত আলী খান, জনাব মীর আবদুল মজিদ, জনাব সৈয়দ উদ্দীন আহমেদ, জনাব আবদুর রহমান হাওলাদার এবং আরও অনেকে । উলেস্নখ্য, ১৯৫০ সনে মাদারীপুর হাইস্কুল ও ইসলামিয় হাইস্কুল একত্রীভূত করে বর্তমানের ইউনাইটেড ইসলামিয়া মাদারীপুর হাইস্কুল প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ইসলামিয়া হাইস্কুল তার সমসত্ম সম্পত্তি কলেজকে প্রদান করে নিজের অসিত্মত্ব বিলুপ্ত করে । প্রতিষ্ঠার ২ বছর পর ১৯৫০ সনে ডিগ্রি এবং দীর্ঘ কালপরিক্রমায় ১৯৯৭ সনে এই কলেজে অনার্স এবং মাস্টার্স কোর্স চালু করা হয় । বর্তমানে এতে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ২১ টি বিষয়ে এবং অনার্স পর্যায়ে ১৩ টি বিষয়ে পাঠদান করা হয় । ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা প্রায় ৮,০০০।</p>
ক্রমিক নং শ্রেণি বিভাগ/শাখা শিক্ষাবর্ষ ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা ০১। একাদশ বিজ্ঞান ২০১৪-১৫ ২৫০ মানবিক ২০১৪-১৫ ৬৩০ ব্যবসায় শিক্ষা ২০১৪-১৫ ৫৫০ ০২। দ্বাদশ বিজ্ঞান ২০১৩-১৪ ১৬৩ মানবিক ২০১৩-১৪ ৬৪৪ ব্যবসায় শিক্ষা ২০১৩-১৪ ৫১১ উচ্চ মাধ্যমিক (প্রাইভেট) মানবিক ২০১৩ ১৬ ব্যবসায় শিক্ষা ২০১৩ - ০৩। অনার্স (১ম পর্ব) বাংলা ২০১২-২০১৩ ৬১ ইংরেজি ২০১২-২০১৩ ৬০ রাষ্ট্রবিজ্ঞান ২০১২-২০১৩ ৬২ ইতিহাস ২০১২-২০১৩ ৯০ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২০১২-১৩ ৭২ দর্শন ২০১২-২০১৩ ৪৭ হিসাববিজ্ঞান ২০১২-২০১৩ ১৩১ ব্যবস্থপানা ২০১২-২০১৩ ১২০ রসায়ন ২০১২-২০১৩ ০৭ পদার্থ ২০১২-২০১৩ ০৭ গনিত ২০১২-২০১৩ ১৬ উদ্ভিদবিদ্যা ২০১২-২০১৩ ১৩ প্রাণিবিদ্যা ২০১২-২০১৩ ০৯ ক্রমিক নং শ্রেণি বিভাগ/শাখা শিক্ষাবর্ষ ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা ০৪। মাস্টার্স (১ম পর্ব)(নিয়মিত) বাংলা ২০১০-২০১১ - রাষ্ট্রবিজ্ঞান ২০১০-২০১১ ৭৬ দর্শন ২০১০-২০১১ ২১ ০৫। মাস্টার্স (শেষ পর্ব) (নিয়মিত) বাংলা ২০১০-২০১১ ০২ ইংরেজি ২০১০-২০১১ ১৭ রাষ্ট্রবিজ্ঞান ২০১০-২০১১ ৫৪ ইতিহাস ২০১০-২০১১ ১১ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২০১০-২০১১ ৪৪ দর্শন ২০১০-২০১১ ০৮ হিসাববিজ্ঞান ২০১০-২০১১ ৭৫ উদ্ভিদবিদ্যা ২০১০-২০১১ ১৫ ০৬। মাস্টার্স (১ম পর্ব) (প্রাইভেট) বাংলা ২০১১ - রাষ্ট্রবিজ্ঞান ২০১১ ১০৮ দর্শন ২০১১ ০৯ ০৭। মাস্টার্স (শেষ পর্ব) (প্রাইভেট) বাংলা ২০১১ - ইংরেজী ২০১১ ০১ ইতিহাস ২০১১ - ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২০১১ ০১ রাস্ট্রবিজ্ঞান ২০১১ ৭০ দর্শন ২০১১ ০২ হিসাববিজ্ঞান ২০১১ ০১ ০৮। সণাতক (পাস)(নিয়মিত) বিএ ২০১২-২০১৩ ২৯৭ বিএসএস ২০১২-২০১৩ ৪৩ বিবিএস ২০১২-২০১৩ ১৯৪ বিএসসি ২০১২-২০১৩ ০৯ ০৯। সণাতক (পাস)(প্রাইভেট) বিএ ২০১২ ৪৭ বিএসএস ২০১২ ২৬ বিবিএস ২০১২ ০২
<p style="margin-left:1.25in;">1. প্রতিষ্ঠাকালঃ ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৮ খ্রি. (সরকারিকরন ০৭.০৫.১৯৭৯ খ্রি.)</p><p style="margin-left:1.25in;">2. নামকরনঃ পাকিসত্মানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল খাজা নাজিমউদ্দিন’র নামানুসারে ।</p><p style="margin-left:1.25in;">3. বর্তমান অধ্যক্ষ্যঃ জনাব মোঃ লিয়াকত আলী তালুকদার (অধ্যাপক, হিসাববিজ্ঞান)</p><p style="margin-left:1.25in;">4. বর্তমান উপাধ্যক্ষ্যঃ জনাব হিতেন চন্দ্র মন্ডল (সহযোগী অধ্যাপক, দর্শন)</p><p style="margin-left:1.25in;">5. মোট জমিঃ ১০.৯৮ একর (৩৩.২৭ বিঘা)</p><p style="margin-left:1.25in;">6. প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনঃ পাকা ৩ টি, কাঁচা ১ টি ।</p><p style="margin-left:1.25in;">7. অধ্যক্ষ্যঃ মহোদয়ের বাসভবনঃ পাকা ডুপেস্নক্স ১ টি ।</p><p style="margin-left:1.25in;">8. মোট ছাত্রাবাসঃ ২ টি (ছাত্র ১টিঃ আসন ৯৬, ছাত্রী ১টিঃ আসন ১০০)</p><p style="margin-left:1.25in;">9. গ্রন্থাগারঃ ১ টি ।</p><p style="margin-left:1.25in;">10.বিজ্ঞান পরীক্ষাগার (ল্যাবরেটরি)ঃ ০৪ টি ।</p><p style="margin-left:1.25in;">11. ছাত্র-ছাত্রী সংসদ ভবনঃ ১ টি (প্রথম ভবন নির্মান ১৯৮৭ খ্রি.)</p><p style="margin-left:1.25in;">12.বিএনসিসিঃ ১ পস্নাটুন ।</p><p style="margin-left:1.25in;">13.রোভার স্কাউটঃ ইউনিট ১ টি ।</p><p style="margin-left:1.25in;">14. মসজিদঃ ১ টি ।</p><p style="margin-left:1.25in;">15.ক্যান্টিনঃ ১ টি ।</p><p style="margin-left:1.25in;">16.কম্পিউটার ল্যাবঃ ১ টি ।</p><p style="margin-left:1.25in;">17.পুকুরঃ ১ টি ।</p><p style="margin-left:1.25in;">18.অনুষদঃ ৩ টি (কলা, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞান)।</p><p style="margin-left:1.25in;">19.মোট বিভাগঃ ২১ টি (বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন, সমাজকর্ম, ইসলামী শিক্ষা, সংস্কৃত, ভূগোল, অর্থনীতি, কৃষিশিক্ষা, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান , গণিত, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণিবিজ্ঞান, কম্পিউটার শিক্ষা ও শরীর চর্চা বিভাগ)</p><p style="margin-left:1.25in;">20.মোট সম্মান (অনার্স) বিভাগঃ ১৩ টি (বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান , গণিত, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগ)</p><p style="margin-left:1.25in;">21.মোট সণাতকোত্তর (মাস্টার্স ১ম পর্ব)(নিয়মিত) বিভাগঃ ০৩ টি (বাংলা, দর্শন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান)</p><p style="margin-left:1.25in;">22. মোট সণাতকোত্তর (মাস্টার্স শেষ)(নিয়মিত) বিভাগঃ ০৮ টি (বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন, হিসাববিজ্ঞান, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ)</p><p style="margin-left:1.25in;">23. মোট সণাতকোত্তর (মাস্টার্স ১ম পর্ব )(প্রাইভেট) বিভাগঃ ০৩ টি (বাংলা, দর্শন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান)</p><p style="margin-left:1.25in;">24.মোট সণাতকোত্তর (মাস্টার্স শেষ)(প্রাইভেট) বিভাগঃ ০৭ টি (বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন, হিসাববিজ্ঞান)</p>
<p> </p><p style="margin-left: 0.3in; text-align: justify;">বিদ্যালয়ের শুভ যাত্রা শুরু হয় ১৯১৪ সালে। তৎকালীন মহাকুমা প্রশাসক মিঃ জেটি ডনোভান সাহেব ছিলেন বিদ্যানুরাগী ও তৎকালীন নিঃস্ব, রিক্ত, নিরক্ষর ও অবহেলিত মুসলমানদের প্রতি সহানুভূতিশীল। তাঁরই ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয় বিদ্যালয়টি। বিদ্যালয়ের নামটি ‘‘ডনোভান’’ কিভাবে হয়েছিল তা নিয়ে অভিজ্ঞদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। কারো কারো মতে তৎকালীন মহুকুমা প্রশাসক বৃটিশ নাগরিক মিঃ ডনোভান সাহেবের উদ্যোগে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তার নামানুসারেই বিদ্যালয়টির নামকরণ করা হয়। আবার অন্যদের মতে, ডনোভান ছিলেন এস.ডি.ও সাহেবের স্ত্রীর নাম।</p><p style="margin-left: 0.3in; text-align: justify;"><br>বিদ্যালয়টি বর্তমানে যেখানে অবস্থিত, প্রতিষ্ঠার সময় উহা এখানে ছিল না। প্রথমে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল লক্ষীগঞ্জ নদীর পাড়ে। চরমুগরিয়া যাবার পথের পাশে ছিল স্কুলটি। মাদারীপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাহাদাত হোসেন হাওলাদার (তোতা হাওলাদার) এর কাছ থেকে জানা যায় তখন বিদ্যালয়ের সামনে বিশাল দুটি ময়ূরের ছবি আঁকা ছিল বলে তিনি শুনেছেন। পরে নদী ভাংগনের কারণে বিদ্যালয়টি হাইক্যারমার ঘাট এলাকায় সরিয়ে আনা হয়। তৎকালীন ইসলামিয়া বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে স্থাপিত হয়েছিল বিদ্যালয়টি। ইসলামিয়া বিদ্যালয়টি পরবর্তীতে মাদারীপুর বিদ্যালয়ের সাথে একীভূত হয়ে মাদারীপুর ইউনাইটেড ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পরিণত হয় এবং ইসলামিয়া বিদ্যালয়ের স্থানে প্রতিষ্ঠা করা হয় নাজিমউদ্দিন মহাবিদ্যালয়। ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায় বিদ্যালয়ের নামে সেখানে এখনও এক একরের অধিক জমি রয়েছে। যাহা বিভিন্ন অবৈধ দখলদারেরা ভোগ দখল করছে। পরবর্তীতে আবারও নদী ভাংগনের কবলে পড়লে ১৯৪০ এর দশকে বিদ্যালয়টি স্থানান্তরিত হয়ে বর্তমান অবস্থানে ২.০৮ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। আড়িয়াল খাঁ নদীর দক্ষিণ পাড়ে হযরত শাহ্ মাদার (রহঃ) এর দরগা শরীফের (যাঁর নামে মাদারীপুরের নামকরন করা হয়েছে) মাত্র ১০০ গজ দক্ষিনে বিদ্যালয়টি অবস্থিত। এর উত্তরে ৫০ গজ দুরে অবস্থিত সরকারি সুফিয়া মহিলা কলেজ। চারিদিকে ছায়া সুনিবিড় নির্জন গ্রাম্য পরিবেশ। এরই মাঝে শতবর্ষী বিদ্যালয়টি দাঁড়িয়ে আছে গর্বোন্নত এক অনন্য স্বকীয় মহিমায়। </p>
ডনোভান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মাদারীপুর। ফোনঃ ০৬৬১-৬১৫২৩ E-mail: donovangovt.ghs14@yahoo.com
<p> </p><p style="margin-left: 0.3in; text-align: justify;">ডনোভান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মাদারীপুরের তথা বৃহত্তর ফরিদপুরের একটি অতুলনীয় বিদ্যাপীঠ। একে দক্ষিণাঞ্চলের নারী শিক্ষার অগ্রদূত বললেও অত্যুক্তি হবেনা। শত বর্ষে পদার্পনকারী এই বিদ্যালয়টি যুগ যুগ ধরে শিক্ষিত নারী তথা শিক্ষিত সমাজ গড়ার স্বাপিড়বক চেতনায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের একটি অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয় হিসাবে সুপ্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি তার সূচনালগড়ব থেকেই সৎ, আদর্শ ও নিষ্ঠাবান আলোকিত মানুষ গড়ার ব্রত নিয়ে প্রতিটি কার্যক্রম সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে পালন করে আসছে। ফলশ্রুতিতে এই বিদ্যালয়ের বহু শিক্ষার্থী নিজ মেধা, যোগ্যতা ও মননশীলতায় দেশ-বিদেশে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।</p><p style="margin-left:.3in;"> </p><p style="margin-left: 0.3in; text-align: justify;">বিদ্যালয়টিতে একটি দ্বিতল ভবন ও একটি তিন তলা একাডেমিক ভবন আছে। দুই ভবনের মাঝখানে একটি প্রশসত্ম খেলার মাঠ এবং মাঠের পূর্বপাশে বড় একটি পুকুর আছে। বিদ্যালয়ের তিন তলা ভবনের নিচতলা প্রশাসনিক ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া বিদ্যালয়ের একটি ছাত্রী হোস্টেল, ডরমেটররি ও প্রধান শিক্ষকের বাস ভবন আছে। এখানে প্রভাতী ও দিবা শিফ্ট চালু আছে। উভয় শিফটে ৪র্থ শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যমত্ম পাঠদান করা হয়। </p>
<p><span style="line-height: 20px; font-size: 13px;">১৯৫৩ সালের পূর্বে বিদ্যালয় হাই মাদ্রাসা ছিল। ১৯৫৩ সাল থেকে বিদ্যালয়টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে পরিচালিত হয়ে আসছে</span></p>
<p><span style="line-height: 20px; font-size: 13px;">মাদারীপুর জেলা সদরের প্রাণকেন্দ্রে প্রধান সড়ক সংলগ্ন প্রায় ৬০ বৎসরের ঐতিহ্যবাহী একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়।</span></p>
<p>মাদারীপুর আহমাদিয়া কামিল(সণাতকোত্তর)মাদরাসাটি আড়িয়াল খাঁ নদীর তীরে মহিষের চর গ্রামে ১৯৪৯ সালে শারছীনার মরহুম পীরে কামেল হয়রত মাওঃ আল্লামা নেছারুদ্দিন (রঃ) এর খেলাফত প্রাপ্ত পখীরার পীর সাহেব মরহুম আলহাজ্ব হযরত মাওঃ নুর মোহাম্মদ (রঃ) প্রতিষ্ঠা করেন। বহু জ্ঞাণী-গুণী এ মাদরাসা থেকে শিক্ষা লাভ করে দেশ-বিদেশে খেদমত করে চলছেনএবং দেশের বহু গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত আছেন। এ প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী মাদরাসাটি অত্র অঞ্চলের শ্রেষ্ঠ ইসলামী বিদ্যাপিট হিসেবে আজও কালের স্বা্ক্ষী হিসেবে মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে আছে। কালের বিবর্তনে মাদরাসাটি অড়িয়াল খাঁ নদীর গর্ভে ১৯৮৪ সালে বিলীন হয়ে যায়। মরহুম পীর সাহেব হুজুরের এক মুরিদ বর্তমান কুকরাইল নামক স্থানে ১একর ২২ শতাংশ জমি দান করলে সেখানে পরবর্তিতে মাদরাসাটি স্থানান্তরিত হয়। বর্তমানে ৮৫০জন ছাত্র/ছাত্রী,৩১জন শিক্ষক/শিক্ষিকা ও ১০জন কর্মচারী নিয়ে মাদরসাটি তার শিক্ষা কর্যক্রম সুচারুরূপে চালিয়ে যাচ্ছে।</p>